You need the eligibility of admission to Harvard University
সবারই স্বপ্ন থাকে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশ্বের সেরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। কিন্তু সঠিক তথ্য জানার অভাবে অনেকেরই যোগ্যতা থেকেও হার্ভার্ডে সঠিকভাবে আবেদন করতে পারে না। সেইজন্য আমাদের দেশ থেকে হার্ভার্ড বা অন্যান্য বিদেশি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার হার কম। কিন্তু এই সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জ্ঞান থাকলে নিজে নিজেই ভর্তির আবেদন করা সম্ভব, আর সেই সাথে দরকার কিছু যোগ্যতা। আজকে আমি আলোচনা করব হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়তে হলে যে বিষয়গুলো দরকার সেই বিষয়গুলো নিয়ে।
সর্বপ্রথম দরকার ভাষার দক্ষতা এবং আর্থিক সামর্থ্য। হার্ভাড ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রথমত দুটি দিক দেখা হয়। আবেদনকারী যদি আমেরিকান হন তাহলে তার জন্য বিশেষ কোন সুবিধা থাকে না। কিন্তু আবেদনকারী যদি আমেরিকার বাইরে অন্য কোন দেশের হন তাহলে তার জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা রয়েছে। সেইজন্য আবশ্য আগে থেকে হার্ভার্ডের কোন প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ করতে হয়। আর যারা কোন প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে না তাদেরকে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় অন্যান্য ছাত্রদের মতোই দেখে তা যে দেশেরই হোক না কেন।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এডমিশনের জন্য দুই ধরণের আবেদনপত্র গ্রহণ করে। একটি হলো অভ্যন্তরীন অর্থাৎ আমেরিকান স্টুডেন্টদের জন্য এক ধরণের আবেদন আরেকটি হলো আমেরিকার বাইরের দেশসমূহের জন্য আবেদন। আপনি যদি আমেরিকার বাইরে থেকে আবেদন করেন তাহলে আপনাকে এমন সব শর্ত পালন করতে হবে যেগুলো আমেরিকান ছাত্ররা করে থাকে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইউনাইটেড কিংডমের সাথে ভর্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি চুক্তি করেছে। চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাজ্যের ছাত্ররা সামান্য কিছু যোগ্যতা দেখাতে পারলেই হার্ভার্ডে ভর্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। এ বিষয়ে তারা প্রশ্নোত্তর দেয়ার জন্য একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে। ওয়েবসাইটটির লিঙ্কঃ http://www.harvard-ukadmissions.co.uk/
এই ওয়েবসাইট থেকে ইউকে থেকে হার্ভার্ডে ভর্তির সমস্ত তথ্য পাওয়া যাবে। পাওয়া যাবে অন্যান্য সহায়তাও।
হার্ভার্ডে ভর্তির জন্য স্যাট কিংবা একট(রাইটিং সহ) টেস্ট দেওয়া লাগবে। সেই সাথে স্যাট এ দুটি সাবজেক্ট টেস্টও দেয়া লাগবে। কেউ কেউ মনে করে থাকে দুটি সাবজেক্ট টেস্ট না দিয়ে শুধু English Language Proficiency Test (ELPT) টেস্ট দিলেই চলবে। কিন্তু হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ওয়েবসাইটে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে শুধুমাত্র English Language Proficiency Test (ELPT) দিয়ে পার পাওয়া যাবে না। এই সম্পর্কে আরো জানতে এই লিঙ্কে যান। অবশ্যই নিউ ট্যাব ওপেন করে! লিঙ্কঃ https://college.harvard.edu/admissions/application-process/application-requirements
হার্ভার্ডে আবেদন করার জন্য যেসব দক্ষতা থাকা দরকার তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ইংরেজী ভাষাতে দক্ষ হতে হবে। সেই সাথে বুঝতে হবে দ্রুতগতির ইংরেজি কথা এবং প্রতিউত্তর দিতে হবে আরো তাড়াতাড়ি। আপনার ইংরেজী ভাষার দক্ষতা যাচাই করার জন্য Test of English as a Foreign Language (TOEFL) টেস্ট দেয়া আবশ্যক। টোয়েফল পরীক্ষাইয় প্রাপ্ত মার্ক আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
সম্ভব হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীর ইন্টারভিউয়ের আয়োজন করে। তবে এই সময় যদি কেউ অনুপস্থিত থাকে (দূরত্ব জনিত কারণে) তবে সেটা ভর্তির ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে না।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য প্রচুর অর্থ দিতে হয়। একজন আমেরিকান ছাত্রের জন্য যে খরচ একজন বাংলাদেশি হিসেবে আপনাকেও পরিমাণ খরচ বহন করতে হবে। তবে হার্ভার্ড আপনাকে ফিন্যান্সিয়াল এইডের জন্য আবেদন করার সুযোগ দেবে, আপনি আবেদন করলে তারা আপনার ফ্যামিলি সম্পর্কে খোজখবর নিয়ে আপনাকে বৃত্তি দেবে। এইজন্য আপনাকে আই-২০ নামের একটি পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হতে হবে। আপনি যদি আই-২০ এর জন্য আবেদন না করে শুধুমাত্র ভর্তির জন্য আবেদন করেন তাহলে ওরা আপনাকে ভিসা দেবে না।
অনেকের সমস্যা থাকে ইংরেজী বিষয়ে। তাই বিভিন্ন অনলাইন ট্রান্সলেটরের সাহায্য নিয়ে তারা ডকুমেন্টগুলো ট্রান্সলেট করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠায়। কেউ যদি একাজ করে তাহলে যে ট্রান্সলেটর দিয়ে ট্রান্সলেট করা হয়েছে সেটির নাম উল্লেখ করতে হবে। সেই সাথে পাঠাতে হবে ট্রান্সলেট না করা কপিও।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যানের জন্য আপনাকে মোট গুনতে হবে ৬৫ হাজার ডলার। তাছাড়া এখানকার অন্যান্য খরচও অনেক বেশি। তবে ভয় পাবেন না, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে থাকে।
ধন্যবাদ। আজকে এখানেই শেষ। Facebook pageঃ www.facebook.com/mihasan.here




Comments
Post a Comment